বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দেশে চলমান গ্যাস সরবরাহ সংকট ধীরে ধীরে কমছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গ্যাস সংকটের পেছনে আমদানি করা গ্যাস সংরক্ষণকারী জাহাজের সমস্যাকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশি কোম্পানির মালিকানাধীন দুটি জাহাজের একটি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অপর জাহাজটির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়।
তারেক রহমান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গ্যাস আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত সপ্তাহ থেকেই সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সংকট কমছে। আরও কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
গ্যাস ও জ্বালানি খাতে অবৈধ সংযোগের বিষয়েও সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি অসাধু চক্র পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস নেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের লাভবান করছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেল ব্যবহারের বিরুদ্ধে সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বর্তমান বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলা করছে বলে জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও শুরুতে দেশের বাজারে দাম না বাড়িয়ে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে জ্বালানির অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে পরে দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়েছে।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গ্যাসের মজুত থাকলেও এর প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। দীর্ঘদিন দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাপেক্সকে আরও সক্রিয় করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। গ্যাস অনুসন্ধান ব্যয়বহুল হলেও দেশে নতুন গ্যাসের উৎস খুঁজে বের করতে ১৩০টি কূপ অনুসন্ধানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব অনুসন্ধানে গ্যাস পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে সংকট অনেকটাই কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।