বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে কার্যকর যৌথ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাপানের টোকিওতে আয়োজিত ‘১৫তম এলএনজি প্রোডিউসার-কনজ্যুমার কনফারেন্স ২০২৬’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের চলমান অস্থিরতার মধ্যে একটি নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে পারস্পরিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘অ্যাডভান্সিং এলএনজি ফর দ্য ফিউচার: রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড রিলায়াবিলিটি’।
সম্মেলনে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চিত্র ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও শিল্পায়নের ফলে গ্যাসের যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে এলএনজি এখন একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদানে পরিণত হয়েছে।
জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন:
বর্তমানে দুটি ভাসমান টার্মিনালের (এফএসআরইউ) মাধ্যমে দৈনিক ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, যেখানে দেশের বার্ষিক এলএনজি চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন।
২০২৮ সালের মধ্যে মহেশখালীতে অতিরিক্ত ৬০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন আরেকটি এফএসআরইউ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মাতারবাড়ীতে ১ হাজার এমএমসিএফডি ক্ষমতার ল্যান্ড-বেসড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
২০২৬-২০৩০ মেয়াদে এলএনজি আমদানি অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ এমটিপিএ এবং ২০৩১-২০৪০ মেয়াদে তা বেড়ে ১৭ থেকে ১৮ এমটিপিএ-তে উন্নীত হতে পারে।
জ্বালানি আমদানিতে উৎস বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, জি-টু-জি চুক্তি, আন্তর্জাতিক দরপত্র ও স্পট মার্কেট থেকে সরাসরি গ্যাস সংগ্রহ করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় সুযোগ তৈরি করতে উন্মুক্ত করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬’ (চলবে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত), যার আওতায় শতভাগ লভ্যাংশ প্রত্যাহার এবং কর সংক্রান্ত সমন্বিত সহায়তাসহ দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।