বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক- ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, পর্যটন, শিক্ষা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিয়োওয়াতি। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, দুর্যোগ মোকাবিলা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। এ ছাড়া কনস্যুলার সেবা সহজীকরণ, উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি তা বহুমুখী করতে ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য ও সেবা আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ (সিইপিএ)-এর পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার অনুরোধ জানান হুমায়ুন কবির।
জবাবে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বহুমুখীকরণে তার দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান। বিশেষ করে ওষুধসহ বিভিন্ন বাংলাদেশি পণ্যের ইন্দোনেশিয়ার বাজারে প্রবেশ বাড়াতে সমর্থনের আশ্বাস দেন তিনি।
বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় দেশই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকায় এ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়, কার্যকর পদ্ধতি ভাগাভাগি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
এ ছাড়া আসিয়ানের ‘সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়ার উদ্যোগ এবং ‘রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ’ (আরসিইপি)-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
জবাবে রাষ্ট্রদূত লিস্টিয়োওয়াতি এসব উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ার ধারাবাহিক সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।