বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চলমান অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর একটি কৌশল বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। দুদকের অনুসন্ধানের পেছনে দুর্নীতি উদঘাটনের উদ্দেশ্যের চেয়ে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চালানোর লক্ষ্যই বেশি কাজ করছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পদায়ন ও বদলি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে দুদকে দায়ের করা অভিযোগ এবং এ বিষয়ে সংস্থাটির মুখপাত্রের বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে প্রাথমিক তদন্ত শুরুর কথা জানানো হলেও পরে ‘প্রাথমিক’ শব্দটি বাদ দেওয়ার বিষয়টি তিনি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জানতে পারেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ায় তার সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুদকের অনুসন্ধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি প্রকৃত অর্থে কোনো অনুসন্ধান নয়; বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার একটি প্রক্রিয়া। তার অভিযোগ, অতীতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দমন করার যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল, বর্তমানেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি বিএনপি সরকারের সময়ে ঘটেছে। ওই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসেরও বেশি সময় আগে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং পরদিন ১১ ডিসেম্বর তা গ্রহণ করা হয়।
দুদকের সংস্কার নিয়েও কথা বলেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তার দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দুদক সংস্কারের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে তা বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন করে দলীয় প্রভাবের মাধ্যমে কমিশন পরিচালিত হচ্ছে।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর তারিখ ও নথিপত্র যাচাই করলেই তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তার অভিযোগ, যথেষ্ট ভিত্তি ছাড়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
দুদকের এই কার্যক্রমকে তিনি ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ অংশ হিসেবেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনমতের কাছে তাকে বিতর্কিত করাই এই অনুসন্ধানের অন্যতম উদ্দেশ্য।