বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত - ছবি: সংগৃহীত
চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী তিন মাস জনসচেতনতা বাড়াতে বিশেষ কর্মসূচি চালানো হবে। এ কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সাধারণ মানুষকে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে বাড়ি ও কর্মস্থল পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ডা. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু রোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পুনঃপ্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার সম্ভাব্য সময়কে সামনে রেখে হাসপাতালগুলোতেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, রোগীর সংখ্যা বাড়লে যেন শয্যা, স্যালাইন ও ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটের সংকট তৈরি না হয়, সে বিষয়ে আগাম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর চাপ বেড়ে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ডেঙ্গুর সম্ভাব্য পিক সময়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজন দেখা দিলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি এ সময়ে চিকিৎসা ব্যয় অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো যাবে না এবং হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত নির্ধারিত শয্যা রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।