বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরকে সর্বৈব মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি দাবি করেছেন, গণমাধ্যমে যেভাবে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তার সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মূল প্রতিবেদনের কোনো সত্যতা বা মিল নেই। প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর সংবাদ ও দুদকের বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
বুধবার এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ ব্রিফিংয়ে নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, গণমাধ্যমের খবরের সঙ্গে দুদকের আনুষ্ঠানিক রিপোর্টের কোনো সংগতি নেই। তিনি স্পষ্ট করে জানান, দুদকের মুখপাত্র যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন এবং তাঁর বক্তব্যের বরাতে প্রকাশিত সংবাদগুলো প্রত্যাহার বা সরিয়ে নেওয়া না হয়, তবে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়ে মানহানির মামলা করবেন।
তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ৩৮ জন কর্মকর্তাকে চলতি দায়িত্ব থেকে পূর্ণ মেয়াদে পদায়নের অভিযোগ খণ্ডন করে আসিফ মাহমুদ জানান, সুনির্দিষ্ট আদালতের রায়ের আলোকেই যথাযথভাবে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছিল। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, দুদক কি তাহলে আদালতের চূড়ান্ত রায়কেই চ্যালেঞ্জ করছে? এছাড়া ১৮২ জন কর্মকর্তার পদোন্নতির বিষয়টিও সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সকল নিয়মনীতি মেনেই সম্পন্ন হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্যমতে, যে দুটি প্রশাসনিক বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেগুলোর পটভূমি সম্পূর্ণ আলাদা হওয়া সত্ত্বেও গণমাধ্যমে বিকৃতভাবে তা উপস্থাপন করা হয়েছে।
পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হয়েছে, অথচ আলোচিত দুটি প্রক্রিয়াই সচিব পর্যায়ের দাপ্তরিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের প্রকাশ্য দিবালোকে করা অনিয়ম ও দুর্নীতি আড়াল করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে এমন নেতিবাচক খবর গণমাধ্যমে প্রচার করানো হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে দুদকের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, যেকোনো অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে দুদককে অনেক বেশি সতর্ক ও পেশাদার হতে হবে।
সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংবাদ প্রত্যাহার বা মুছে না ফেললে এবং দুদক আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাখ্যান না করলে আইনি প্রক্রিয়ায় মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়া হবে। এ সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের কাঠামোগত সংস্কারের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি এবং দাবি করেন এই স্বার্থেই দলটি সংস্থাটির প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিরোধিতা করেছিল। একই সঙ্গে সরকারকে বিরোধী মত দলনের সংস্কৃতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানান তিনি।