বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

তথ্যমন্ত্রী ও বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন ও সংকটময় সময়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
বুধবার দুপুরে তিন দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে ভোলার নিজ সংসদীয় আসন সদরের নতুনবাজার এলাকায় আয়োজিত এক জনসমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, ১৭ বছরের দুঃশাসনে আওয়ামী লীগ দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে, এবং এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকেই বর্তমান সরকারকে অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে উত্তরণ ঘটাতে হচ্ছে।
ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই মেগা প্রকল্পটি ভোলার প্রতিটি নাগরিকের আবেগ ও অধিকারের সঙ্গে জড়িত এবং সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সেতুর সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণ করছে। এর পাশাপাশি ভোলার অভ্যন্তরীণ মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের কাজও বিবেচনাধীন রয়েছে জানিয়ে তিনি স্থানীয় জনগণকে কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদে তিনি ভোলা-বরিশাল সেতুর পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন এবং প্রকল্পটি বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ভোলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের চিত্র তুলে ধরে আন্দালিব রহমান পার্থ জানান, জেলায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করা হবে, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধে ৭০০ কোটি টাকা এবং সার্বিক রাস্তা সংস্কারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ছয় মাসে সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনের খতিয়ান তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, বিগত ছয় মাসে তিনি এক টাকার দুর্নীতির সঙ্গেও যুক্ত হননি এবং তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের মিথ্যা মামলা, হয়রানি কিংবা চাঁদাবাজির স্থান হয়নি। তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করে জানান, কোনো চোর, চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসী তাঁর দলে প্রশ্রয় পাবে না এবং কমিশন বাণিজ্য, জিআর, টিআর কিংবা ঠিকাদারি ভাগাভাগির কোনো নোংরা সংস্কৃতি তাঁর রক্ত ও পরিবারে কখনোই ছিল না। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশাল পৌঁছানোর পর স্পিডবোট যোগে দুপুর নাগাদ ভোলার খেয়াঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এসে পৌঁছালে তথ্যমন্ত্রীকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার।