বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
মাগুরায় আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারিত থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পর তা পিছিয়ে ৩১ আগস্ট ধার্য করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।
এর আগে ২৪ আগস্ট একই বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষ হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক অংশ নেন।
মামলাটির শুনানি শুরু হয়েছিল ১১ আগস্ট। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলসহ কয়েকজন আইন কর্মকর্তা।
মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই মামলায় অন্য তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ওই শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি আলোচিত ও নির্মম ঘটনার পর মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন।
এ ধরনের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি বিশেষ দলও গঠন করা হয়েছে।
এখন মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ, আসামিপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা। আজকের রায়ে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না, সেটিই এখন মূল আলোচনার বিষয়।