বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম -ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সিটি করপোরেশনের নির্দেশনা অমান্য করে জনসাধারণের চলাচলের পথ দখল করলে মামলা ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ, সড়কবাতি, রাজস্ব আদায় এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে পরিচালিত সমন্বিত অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
অভিযান চলাকালে সেগুনবাগিচা ও আশপাশের এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ দোকান ও স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলের জায়গায় বসানো ভ্রাম্যমাণ দোকান ও অন্যান্য অবৈধ সামগ্রী জব্দ করা হয়। নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত মূলত নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য। তাই ফুটপাত দখল করে দোকান বসানো কিংবা সড়ক দখল করে হকারি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য কাউকে হয়রানি করা নয়। নগরের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জনস্বার্থ রক্ষা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করার পরও যারা নির্দেশনা মানছেন না, তাদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসক জানান, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের গত ছয় মাস ধরে সতর্ক করা হয়েছে। এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়েছে। এরপরও নিয়ম না মানলে আর ছাড় দেওয়া হবে না।
হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে হকারদের বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এরপর নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও হকারি করার সুযোগ থাকবে না।
তিনি আরও জানান, নগরীর রিকশা ও ভাসমান মানুষের সমস্যা সমাধানেও পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কয়েকদিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক ও ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এসব অভিযানে ফুটপাত ও সড়ক দখল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, অবৈধ স্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুতের অপব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত, যানজট কমানো এবং ফুটপাতের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে সমন্বিত অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালানো হবে।