বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে এমনিতেই চাপে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে আয় না বাড়লেও নিত্যদিনের খাবারের খরচ বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, রাইয়ানখোলা, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের একাধিক বাজার ঘুরে ডিমের এমন বাড়তি দামের চিত্র পাওয়া গেছে।
বাজারে প্রতি ডজন হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টি ও বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি ফিডের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুরগি পালন ও ডিম উৎপাদনের খরচও বেড়েছে।
মহাখালী বাজারের ডিম বিক্রেতা সুমন বলেন, পাইকারিতেই এখন ডিমের দাম বেশি। ১০০টি ডিম পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১২০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি পিসের দাম পড়ছে ১১ টাকা ২০ পয়সা। খুচরা বাজারে সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজনপ্রতি ১৫০ টাকা পর্যন্ত।
আরেক ব্যবসায়ী কাওসার বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। একই সঙ্গে পোল্ট্রি ফিডের দামও চড়া। ফলে মুরগি পালন ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে এবং এর প্রভাব পড়েছে ডিমের বাজারে।
এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রশাসনের অভিযান চলাকালে কিছু সময়ের জন্য ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অভিযান শেষ হলে আবারও দাম বাড়তে থাকে। তাদের দাবি, বাজারে সরবরাহ ও উৎপাদন ব্যয়ের পাশাপাশি একটি চক্র ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে ডিমের হালিতে দাম বেড়েছে ১৪ থেকে ১৬ টাকা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৩৪ থেকে ৪০ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়।
মিরপুর-১১ নম্বর কাঁচাবাজারের চাকরিজীবী হালিম বলেন, ডিম প্রায় প্রতিটি পরিবারের খাবারের অংশ। কিন্তু এক-দুই টাকা করে দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। আয় না বাড়লেও বাজার খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী প্রাণিজ প্রোটিনের অন্যতম উৎস। তাই দীর্ঘদিন উচ্চমূল্য থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।