বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজে লাগাতে চায় সরকার। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করলে পর্যটন খাত থেকে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৭ থেকে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের সম্প্রসারণ নিয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভা শুরুর আগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ সময়ের স্থবিরতা কাটিয়ে বর্তমান সরকার জাতীয় ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছে। দুই মন্ত্রণালয় সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করলে বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আকর্ষণীয় পর্যটন ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ, প্রচার এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে পর্যটকবান্ধব করে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদান আরও বাড়ানো সম্ভব।
পর্যটনকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদাহরণ দিতে গিয়ে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোকে পর্যটনের আওতায় আনতে দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারলে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান বর্তমানের প্রায় ২ থেকে ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ‘আনলকিং বাংলাদেশিস ক্রিয়েটিভ ইকোনমি থ্রু কালচারাল ট্যুরিজম’ শিরোনামে একটি বিশেষ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। এতে সাংস্কৃতিক পর্যটনের মাধ্যমে দেশের সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।