বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি, জাতীয় নীতিমালা এবং তৃণমূলের বাস্তবতার মধ্যকার দূরত্ব দূর করে অভিবাসন শাসনব্যবস্থাকে আরও সুসংহত এবং নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ‘নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতে সরকারের নবতর উদ্যোগ’ শীর্ষক এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে বলেন:
"বিদেশে প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াটি অবশ্যই নিজ দেশ থেকে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে শুরু হতে হবে।"
শামা ওবায়েদ বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশের দেওয়া অঙ্গীকারের সাথে জাতীয় নীতিমালা এবং মাঠপর্যায়ের সম্ভাব্য অভিবাসীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার একটি নিবিড় সংযোগ স্থাপনে সরকার নতুন করে কাজ শুরু করেছে। বৈশ্বিক শ্রমবাজারের দ্রুত পরিবর্তনশীল চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি গন্তব্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয়তার সাথে সঙ্গতি রেখে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, নতুন নতুন শ্রমবাজারের সন্ধান এবং নিয়মিত অভিবাসন পথ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন। নিজের নির্বাচনী এলাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি অনিয়মিত অভিবাসন, মানবপাচার, অভিবাসী চোরাচালান এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতারণার নতুন ফাঁদ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সভায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক মাঠপর্যায়ের প্রশাসনের মাধ্যমে প্রবাসীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই যৌথ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং নিরাপদ অভিবাসন উৎসাহিত করতে জেলা প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান।
উচ্চপর্যায়ের এই মতবিনিময় সভায় দেশের অভিবাসনপ্রবণ ১৪টি জেলার—কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ঢাকা, নোয়াখালী, নরসিংদী, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও সুনামগঞ্জ—জেলা প্রশাসকেরা (ডিসি) অংশ নেন। তাঁরা নিজ নিজ এলাকার অভিবাসন প্রবণতা, দক্ষতার ঘাটতি, অনিয়মিত অভিবাসন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে প্রাপ্ত শ্রমবাজারের চাহিদা ও গন্তব্য দেশের নতুন নির্দেশনাবলী ডিসিদের সাথে ভাগ করে নেওয়া হয়, যাতে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়।