বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দেশের মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে, যেগুলোর মান মোটেও সন্তোষজনক নয়। সেগুলো চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সাভারে ব্র্যাক সিডিএম সেন্টারে ইউজিসি আয়োজিত ‘ভাইস-চ্যান্সেলর ডায়ালগ: শেপিং দ্য ফিউচার অব হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাজেটের যে সমস্যা রয়েছে তা দূর হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে শিক্ষার অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যেন আরও বেশি গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয়, সেদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
রিভার্স ব্রেইন ড্রেইনের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদেশে অনেক ভালো ফলাফল করে। পাশাপাশি গবেষণা ক্ষেত্রে তারা বিশাল সাফল্য দেখাচ্ছে। তাদেরকে দেশে এনে সেই মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বাংলাদেশে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের গুরুত্বের বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া মন্ত্রী দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন অপচয়ের ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো বন্ধ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম।
‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে দুই দিনব্যাপী এ সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অংশগ্রহণ করেন।