বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী -ফাইল ফটো
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরও দ্রুত অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার যেকোনো অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান সম্ভব বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারায় বাংলাদেশে আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খান আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক সীমান্তই ভাগাভাগি করে না বরং বাস্তবে দেশ দুটি একটি ‘অভিন্ন স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা’ ধারণ করে।
ভারতীয় দূত বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি পৃথক সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমাদের সামনে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। আর যেখানে মতভেদ বা চ্যালেঞ্জ থাকবে না, সেটি তো গণতন্ত্র হতে পারে না; গণতন্ত্র যতই কোলাহলপূর্ণ হোক না কেন।
তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের পরস্পরের জন্য নিজস্ব পরিসর ও শ্রদ্ধা প্রয়োজন। আমাদের মাঝে মতপার্থক্য ও বিতর্ক থাকতেই পারে যা স্বাভাবিক। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য অভিন্ন থাকে অর্থাৎ দুই দেশের মানুষ যেন আত্মমর্যাদা, সম্মান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে বাঁচতে পারে ততক্ষণ ইতিবাচক অগ্রগতি সম্ভব। আমার মূল লক্ষ্য হলো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কে একটি সোনালি সময় বিনির্মাণ করা।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত শনিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময়ও হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে পারস্পরিক অংশীদারত্ব আরও সুসংহত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অভিন্ন ইতিহাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর গড়ে ওঠা জনগণের সঙ্গে জনগণের নিবিড় বন্ধনই হলো এই বন্ধুত্বের মূল চালিকাশক্তি যা উভয় দেশের জন্য একটি ‘উইন-উইন’ বা উভয় পক্ষের স্বার্থরক্ষাকারী পরিবেশ নিশ্চিত করবে।