বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননকে বর্তমান সরকারের শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন , পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং দেশে কৃষি বিপ্লব ও নদীভাঙন রোধে সরকার দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনা সম্পর্কিত জাতীয় সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চলমান গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকার জোরালোভাবে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। যৌথ নদী কমিশন এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের প্রায় সাত কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও কৃষির সামগ্রিক বিপ্লব সাধিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদী অববাহিকার মানুষের দুর্দশা লাঘবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ চলছে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নিয়ে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষার নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান খোঁজা হচ্ছে। এছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় ভূউপরিস্থ পানির সরবরাহ বাড়াতে চার মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখনন করা হবে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে কৃষি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ কাজ বাস্তবায়ন করবে।
পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের দৃশ্যমান উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বর্তমান সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং দেশের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।