বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

‘এসডিজি ভিলেজ’ পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-ছবি : সংগৃহীত
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ পাইলট প্রকল্পের আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত গ্রামগুলো হলো রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।
‘দেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ’ শীর্ষক উদ্যোগের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার পাশাপাশি এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়া।
‘এসডিজি ভিলেজ’ প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দারিদ্র্য কমানো, কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা উন্নত করা অন্যতম।
পাশাপাশি গ্রামগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের সুবিধা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টিও প্রকল্পের আওতায় রাখা হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে এসডিজির লক্ষ্যগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের চেষ্টা করা হবে। নির্বাচিত তিনটি গ্রামকে পাইলট হিসেবে নিয়ে প্রকল্পের কার্যকারিতা মূল্যায়নের পর ভবিষ্যতে এর পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
‘এসডিজি ভিলেজ’ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তিন গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারা এ উদ্যোগকে নিজেদের এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।