বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দীনেশ ত্রিবেদী -ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও জোরদার ও সুদৃঢ় করতে চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে নানা বিষয়ে মতপার্থক্য বা ইস্যু থাকলেও জনগণের প্রত্যাশা একটি দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক।
সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে এবং সাক্ষাৎটি তার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রথম সাক্ষাৎ হলেও তার কাছে সেটিকে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠকের মতো মনে হয়নি। বরং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্কের একটি ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যু থাকা স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য ও আলোচনার বিষয় থাকবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা হলো পারস্পরিক সুসম্পর্ক।
তার ভাষায়, ভালো সম্পর্ক তৈরি হলে বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই লাভবান হবে। আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের অবস্থানও অপরিবর্তনীয়।
তিনি বলেন, দুই দেশ শুধু একটি সীমান্তই ভাগাভাগি করে না, বরং ভবিষ্যতের স্বপ্নও ভাগ করে নেয়।
আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও ভালো হবে বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তার মতে, দুই পক্ষকে বসে বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান করতে হবে। এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনার টেবিলে বসে সমাধান করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখাই তার দায়িত্বের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে গত দুই মাসে যে আন্তরিকতা, আতিথেয়তা ও ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তাকে অভিভূত করেছে বলেও মন্তব্য করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, হবে হবে, সবই ভালো, ইতিবাচক সবকিছুই হবে।
তার এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে বাংলাদেশ-ভারতের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে।