বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান- ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফর ঘিরে দুই অঞ্চলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর। দিনব্যাপী এ সফরে তিনি কক্সবাজারের মহেশখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
রোববার (৯ আগস্ট) সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।
এরপর দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন এলাকায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ত্রাণ বিতরণ করবেন। পাশাপাশি ১০০ গৃহহারা পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
পরে প্রধানমন্ত্রী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন। সেখানে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। এরপর তিনি মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় বিরতি নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
সফরের শেষ পর্যায়ে সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। সেখানে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির নেতাদের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচি শেষে রাতেই ঢাকার উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাঁকে বরণে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দলীয় নেতারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠেয় সাংগঠনিক সভাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে।
চট্টগ্রাম বিএনপির নেতাদের মতে, সাধারণত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বড় সাংগঠনিক সভাগুলো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এবার রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রামে এমন সভার আয়োজনকে তাঁরা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে একদিকে বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন, অন্যদিকে দলীয় সাংগঠনিক সভা—সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে রোববারের দিনটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।