বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
ভোরের আলো ফুটতেই দেশের দুই মহাসড়কে ভয়াবহ দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ জন। পৃথক এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৮ জন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত বগুড়া ও সিলেটে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া এলাকার সিল্কিবান্ধায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি বাস সড়কের পাশে কাজের অপেক্ষায় থাকা শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনসহ মোট সাতজন নিহত হন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাস এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে বাসটি সড়কের পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দিয়ে শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করলে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর (কাশিকাপন) এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে সিলেটগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেট থেকে ঢাকাগামী বেঙ্গল পরিবহনের বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন। আহত হন আরও অন্তত ১৩ জন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পৃথক দুই দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজও চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
সকালের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মহাসড়কে প্রাণহানির ঘটনায় আবারও দেশের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।