বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার। নতুন বিধিমালার আওতায় শব্দদূষণ রোধে পুলিশের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ সৃষ্টি করে এমন হর্ন ব্যবহার বা শব্দদূষণের বিধি লঙ্ঘন করলে সার্জেন্ট বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবেন।
জরিমানা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট মোটরযান আটক করারও সুযোগ রয়েছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ জোরদারের অংশ হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, নীরব এলাকায় দিনের বেলায় সর্বোচ্চ ৫০ ডেসিবেল এবং রাতে ৪০ ডেসিবেল শব্দ অনুমোদিত। আবাসিক এলাকায় দিনে ৫৫ ও রাতে ৪৫ ডেসিবেল, মিশ্র এলাকায় দিনে ৬০ ও রাতে ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৭০ ও রাতে ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় দিনে ৭৫ ও রাতে ৭০ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দের অনুমতি রয়েছে।
নীরব এলাকায় কোনো ধরনের হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো যাবে না। পাশাপাশি পটকা, আতশবাজি এবং শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন অন্যান্য কার্যক্রমের ওপরও বিধিনিষেধ রয়েছে।
পারিবারিক অনুষ্ঠান, সামাজিক আয়োজন বা জনসমাবেশে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া মাইক, লাউডস্পিকার বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না। অনুমতি থাকলেও শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবেলের বেশি এবং ব্যবহারের সময় পাঁচ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। রাত ১১টার পর এসব যন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ।
এদিকে নতুন বিধিমালার খসড়ায় শব্দদূষণের শাস্তিও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সর্বোচ্চ এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় তা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের কথা বলা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শব্দদূষণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি টেলিফোন, লিখিত আবেদন, ই-মেইল বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করতে পারবেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শব্দদূষণকারী যন্ত্রপাতি জব্দ করার ক্ষমতাও থাকবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সরাসরি ভূমিকা বাড়ানোর পাশাপাশি ইতোমধ্যে পুলিশ কর্মকর্তাদের শব্দের মাত্রা পরিমাপের যন্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, আইন প্রয়োগ জোরদার হলে নগরবাসীর শব্দদূষণজনিত ভোগান্তি কমবে।