বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধস-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং সরকারি সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা, উপজেলা ও আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পানিবন্দি পরিবার নেই এবং গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫ দশমিক ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। নতুন কোনো ভূমিধস বা পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেনি।
খাগড়াছড়িতে বন্যার পানি অধিকাংশ এলাকা থেকে নেমে গেলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তবে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং নতুন কোনো পাহাড়ধসের খবর পাওয়া যায়নি। জেলা তথ্য অফিস দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয় নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। রামুর বাঁকখালী ও চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে মাইকিংসহ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয় নিয়ে প্রচার অব্যাহত রয়েছে। বান্দরবানে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ ধীরে ধীরে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।
মৌলভীবাজারেও বন্যা পরিস্থিতির ধারাবাহিক উন্নতি হচ্ছে। একই সঙ্গে লামা, রামগড়, পটিয়া ও কাপ্তাই এলাকায়ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এসব এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং নতুন করে বন্যা বা পাহাড়ধসের আশঙ্কা নেই।
সরকারি তথ্য অফিসগুলো বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপে কাটা প্রতিরোধ, নারী, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকা, বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়ানো এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমতে না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে সড়ক প্রচার ও মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।