বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চলতি মাসের মধ্যেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গন ও প্রশাসনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য শিগগিরই সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে তিনি বঙ্গভবনের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ঘনিষ্ঠজনকে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ সচিবের নাম নতুন করে আলোচনায় এলেও এর আগে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে উঠে এসেছিল। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি একাধিকবার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে হৃদ্যন্ত্রের দুর্বলতার পাশাপাশি স্নায়ুবিষয়ক জটিলতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। বিশেষজ্ঞরা তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ এবং দীর্ঘ সময় বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, অল্প কিছুদিন আগে তিনি যুক্তরাজ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে দেশে ফিরেছেন। তাই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আবার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার বিষয়টি তিনি বিব্রতকর মনে করছেন। এসব দিক বিবেচনা করেই দায়িত্ব ছেড়ে চিকিৎসাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সূত্রটির দাবি।
জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি বিভিন্ন মহল থেকে জোরালোভাবে ওঠে। কয়েক দফা কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সম্ভাব্য সাংবিধানিক জটিলতার কথা বিবেচনায় নিয়ে তখন সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়নি।
পরে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকে। যদিও নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি দীর্ঘ সময় সিদ্ধান্তহীন অবস্থায় ছিল।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথাও রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে। বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে নানা অভিযোগ ওঠার পর দুই পক্ষের দূরত্ব বেড়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি। এমনকি জাতীয় সংসদের একটি অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির সময় সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ না হওয়ার ঘটনাও আলোচনার জন্ম দেয়।
তবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কিংবা নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা এবং জল্পনা-কল্পনা অব্যাহত রয়েছে।