বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ছবি: বাসস
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, কৃষির আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিক বিপ্লব বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং শিক্ষিত তরুণদের কৃষিতে আগ্রহী করে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।
বুধবার রাতে নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্যোগে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, দেশের ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানের উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের কার্যকারিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ যন্ত্রের মাধ্যমে অল্প সময়েই নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে ধানের চারা রোপণ করা সম্ভব, যা ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। তাই ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রকৃত ভূমিহীন, হতদরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের কাছেই পৌঁছাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অযোগ্য ব্যক্তি বা প্রভাবশালীদের নামে এসব কার্ড ইস্যু করা যাবে না।
অনুষ্ঠান শেষে সরকারের ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে লেংগুরা এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে নিম, পেয়ারা ও মেহগনির চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় ডেপুটি স্পিকার লেংগুরা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।