বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, গ্রাম ও শহরের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করে দেশের প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে।
বুধবার (২২ জুলাই) চীনের শি’আনে অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট ইন্টিগ্রেশন ফর হেলথ - টুওয়ার্ডস অ্যা নিউ কো-অপারেটিভ ইকোসিস্টেম এলং দ্য সিল্ক রোড’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যখাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের যে কোনো প্রান্তে অবস্থানরত রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য তথ্য চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পারবেন। এর ফলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা হবে আরও দ্রুত, নির্ভুল ও সমন্বিত।
তিনি বলেন, এটি শুধু প্রযুক্তিগত সুবিধা নয়; স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঢাকার একটি আধুনিক হাসপাতালে একজন রোগী যে মানের চিকিৎসা পান, দেশের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের একজন মানুষও যেন একই মানের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ পান।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকার একটি মানবকেন্দ্রিক জাতীয় এআই নীতি প্রণয়নে কাজ করছে। এ নীতির ভিত্তি হবে মানবাধিকার, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন। প্রযুক্তির উন্নয়ন যেন মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয় এবং কেউ যেন এর সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ডেটা প্রটেকশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। নিরাপদ তথ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া টেকসই ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সমাধানের সমন্বয়ে কাজ করছে। একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
২১-২২ জুলাই অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও কম্বোডিয়া, আলজেরিয়া, জাম্বিয়া, কিউবা, নিকারাগুয়া, মরক্কো, সুদান, তিউনিসিয়া, রাশিয়া, ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।