বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় দুবাই পুলিশের করা একাধিক প্রশ্নের জবাব প্রস্তুত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও মামলার নথিপত্র দু-এক দিনের মধ্যেই দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুদকের মুখপাত্র ও উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেনজীরের গ্রেফতার হওয়ার তথ্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ১৬ জুন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জাতীয় কেন্দ্রীয় ব্যুরোর (এনসিবি) মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় দুদক। এসব নথির মধ্যে বেনজীরের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার কাগজপত্র, গ্রেফতারি পরোয়ানা, আদালতের আদেশ ও তদন্ত-সংক্রান্ত নথি রয়েছে।
আজ আকতারুল ইসলাম বলেন, দুবাই পুলিশের চাওয়া ব্যাখ্যার পাশাপাশি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার নথিসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
গত জুনে ইন্টারপোলের সহায়তায় পলাতক সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটক করা হয়। এরপর তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দ্রুত প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করে দুদক। মাত্র দুই দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণপত্র দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।
এর প্রায় এক মাস পর দুবাই পুলিশ বাংলাদেশকে চিঠি দিয়ে বেনজীরকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে নীতিগত সম্মতির কথা জানায়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর প্রকৃতি, অভিযোগ এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে কয়েকটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চায়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই এখন বিস্তারিত জবাব প্রস্তুত করছে দুদক।
দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম বলেন, দুবাই পুলিশের চাওয়া তথ্য ও ব্যাখ্যা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাঠানো হবে। এসব তথ্য পাওয়ার পর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে দুবাই কর্তৃপক্ষ।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ছয়টি মামলা করেছে দুদক। এর মধ্যে প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় এরই মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দুদক জানায়, প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও নথিপত্র পাঠানোর পর বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে যাবে।
২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর অবসরে যান বেনজীর। বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে বেনজীর আহমদই প্রথম কর্মকর্তা, যিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, র্যাবের মহাপরিচালক এবং পরে পুলিশের মহাপরিদর্শক এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।