বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন -ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি, গুম-খুন, ভোটাধিকার হরণ, নিপীড়ন এবং ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়; বরং এটি ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত সাহস, আত্মত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষার ফল।
‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি আন্দোলনে নিহত শহীদদের পাশাপাশি আহত তরুণ-তরুণীদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করে এখনও কষ্টকর জীবনযাপন করছেন। একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সব দেশপ্রেমিক নাগরিকের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হওয়া এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকজন তরুণের আত্মাহুতি আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার, দমন-পীড়ন এবং সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের আত্মত্যাগ স্মরণ করিয়ে দেয় যে রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তির উৎস জনগণ। জনগণের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব। জুলাইয়ের চেতনা একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত, স্বৈরাচারমুক্ত ও সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে প্রেরণা জোগায়।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও মানবিক সংগঠনকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা প্রত্যাশা করেন।