বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অন্য প্রসিকিউটরদের সঙ্গে নিয়ে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর পরিদর্শন করছেন চিফ প্রসিকিউটর -ছবি : সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ঢাকার কাছাকাছি একটি হাসপাতাল থেকে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গণকবর ও গুম হওয়া মরদেহের তথ্য যাচাই শেষে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জাতিসংঘের উল্লেখিত ১ হাজার ৪০০ জনের হিসাবও অতিক্রম করতে পারে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে যে গণঅভ্যুত্থানের সময় নিহত কয়েকজনের মরদেহ একটি হাসপাতাল থেকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সব তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন গণকবর, নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য এবং গুম হওয়া মরদেহের বিষয়গুলো তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এসব তথ্য চূড়ান্তভাবে যাচাই-বাছাই শেষে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জাতিসংঘের প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।
গণকবর পরিদর্শনের সময় চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য প্রসিকিউটর নিহতদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে চলমান তদন্তে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে। এসব তথ্য যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনাল কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিহতের চূড়ান্ত সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে গণকবর, নিখোঁজ ও গুমের ঘটনাগুলোর পূর্ণাঙ্গ হিসাব যুক্ত হলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।