বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার কারণ ব্যাখ্যা করে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার কাছ থেকে ইতিবাচক আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়ার পরই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয়েছিল।
তিনি বলেন, জেলার এসপি, আটটি বিভাগীয় কমিশনার, সব বোর্ডের চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং আবহাওয়াবিদদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছি। সবাই জানিয়েছিলেন আবহাওয়া ভালো থাকবে এবং বৃষ্টি হবে না। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
মন্ত্রী জানান, সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে অতীতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং পরে পুরো চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে মেয়র, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে নিরাপদ ভবনে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করে।
শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, কুমিল্লার ওই একটি কেন্দ্র ছাড়া দেশের অন্য কোথাও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা পরিচালনায় বড় ধরনের সমস্যা হয়নি বলে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ সময় তিনি পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রের দুটি প্রশ্নে ত্রুটি থাকার বিষয়ও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ওই প্রশ্নপত্রের মডারেশন আগের সময়ের এবং প্রশ্ন প্রণয়ন ও মডারেশনের প্রক্রিয়া দুই বছর আগে থেকেই শুরু হয়ে থাকে। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যে এ বিষয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।