বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও জনগণ প্রকৃত উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
তার ভাষায়, শুধু বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ করলেই উন্নয়ন হয় না; স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়নের মানদণ্ড।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় দুর্বল অবস্থায় ছিল। এসব খাতকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সরকার ধাপে ধাপে বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কার্যক্রম চালু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা এবং সারা দেশে এক হাজার শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জলাবদ্ধতা সমস্যার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু ফ্লাইওভার বা সড়ক নির্মাণ করলেই উন্নয়ন সম্পূর্ণ হয় না। খাল, ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল না থাকলে নগরজীবনে দুর্ভোগ থেকেই যাবে। তাই টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ ও অবকাঠামোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে জবাবদিহির অভাব, দুর্নীতি এবং অর্থ পাচারের কারণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে পদ্মা সেতু ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ কয়েকটি বড় প্রকল্পে অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দলের ভেতরে ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখতে হবে এবং কোনোভাবেই অনুপ্রবেশকারী বা 'হাইব্রিড' নেতৃত্বকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করারও আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সামনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দলীয় ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তব্যের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সঙ্গে অবাস্তব প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েই সরকার এগিয়ে যেতে চায়। দায়িত্বশীল রাজনীতি, সুশাসন এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।