বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় -ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনায় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটির আমিনবাজার এবং দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইল এলাকায় বাস্তবায়নাধীন দুটি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে কেন্দ্রটি ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের আগস্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে এবং প্রকল্পটি অন্তত ২৫ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বি অ্যান্ড এফ কোম্পানি মাতুয়াইলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এ প্রকল্পে বছরে প্রায় ১৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদন করে প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, জৈব সার, পশুখাদ্য ও পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকসও উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।
বৈঠকে বলা হয়, প্রকল্প দুটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে দ্রুত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।