বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রকল্পটি পুরোপুরি চালু হলে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য অংশ এখান থেকে আসবে, যা আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে।
বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পের দুটি ইউনিট পর্যায়ক্রমে চালু হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, প্রথম ইউনিট চালুর পর এক বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয় ইউনিটও উৎপাদনে যুক্ত হবে। তখন জাতীয় গ্রিডে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ যোগ হবে এবং শিল্প, বাণিজ্য ও আবাসিক খাতে বিদ্যুতের সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে।

তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে দীর্ঘ বিলম্ব এবং ব্যয় বৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি, আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো কাজ শেষ হলে অতিরিক্ত আর্থিক চাপের একটি বড় অংশ এড়ানো সম্ভব হতো।
এদিকে সরকার ভবিষ্যতের জ্বালানি পরিকল্পনায় ক্ষুদ্র মডুলার রিয়্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তিও বিবেচনা করছে। তুলনামূলক কম সক্ষমতার এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত নির্মাণযোগ্য এবং বিভিন্ন অঞ্চলে স্থাপনের সুযোগ থাকায় দীর্ঘমেয়াদে এটি একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানির কার্যকর পরিপূরক হতে পারে। তবে নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে দক্ষ জনবল, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের ধারণা, রূপপুর প্রকল্প সফলভাবে পরিচালিত হলে তা শুধু বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাই বাড়াবে না বরং ভবিষ্যতের জ্বালানি পরিকল্পনা ও শিল্পায়নের গতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।