বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-ছবি: প্রেস উইং
দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে তরুণ চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমানের মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দক্ষতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা পেশা শুধু একটি কর্মক্ষেত্র নয়, এটি মানুষের জীবন রক্ষার দায়িত্ব। তাই চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিকতা, সহমর্মিতা ও রোগীবান্ধব মনোভাব ধারণ করতে হবে।
তিনি জানান, দেশের স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য পেশাজীবীর শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করতে সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, এসব কর্মীর ৮০ শতাংশ নারী হবেন, যারা পরিবারভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন।
স্বাস্থ্যখাতে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা এ খাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আগামী পাঁচ বছরে স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বিভিন্ন চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট পণ্যে ভ্যাট ও কর কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা, হাসপাতালগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু, নতুন শিশু হাসপাতাল পরিচালনা এবং মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।