বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
জাল নোটের বিস্তার ঠেকাতে নতুন ও কঠোর আইন আনতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত ‘জাল মুদ্রা প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী, শুধু জাল নোট তৈরি বা বাজারজাত করাই নয়, জেনেশুনে জাল নোট নিজের কাছে রাখা, লেনদেনে ব্যবহার করা বা ব্যবহারের চেষ্টা করাও গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ইতোমধ্যে আইনের খসড়া প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মতামতের জন্য পাঠিয়েছে। জনমত গ্রহণের জন্যও খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে। মতামত পর্যালোচনার পর এটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
নতুন আইনে জাল নোট তৈরির পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম, বিশেষ কাগজ, কালি, প্লেট, কম্পিউটার, প্রিন্টার ও স্ক্যানার জব্দ এবং আদালতের নির্দেশে ধ্বংস করার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি টেম্পার্ড, ব্লিচড ও মিসম্যাচড নোটের মতো আধুনিক জালিয়াতির ধরনও প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত কারেন্সি অফিসারের প্রত্যয়ন আদালতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে। অধিকাংশ অপরাধকে আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য করার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে, যাতে জাল নোট চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কঠোর আইনের পাশাপাশি দ্রুত তদন্ত, দ্রুত বিচার, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে জাল নোটের বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।