বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে দেশের পাঁচটি নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে পার্বত্যাঞ্চল, সিলেট ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিন অনুযায়ী, বান্দরবান পয়েন্টে সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং চট্টগ্রামের দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া মাতামুহুরী নদীর পানি বান্দরবানের লামা পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার ও কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।
অন্যদিকে কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
মৌলভীবাজারের মনু রেলব্রিজ পয়েন্টে মনু নদীর পানি ৩৫ সেন্টিমিটার এবং একই জেলার মনু পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া হবিগঞ্জের বল্লা পয়েন্টে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।
এদিকে তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা, সোমেশ্বরী ও ছোট ফেনী নদীর বিভিন্ন স্টেশনে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।