বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কোথাও জলাবদ্ধতা, কোথাও পাহাড়ধসের শঙ্কা সব মিলিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী দুই দিনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ২৮ মিলিমিটার। শুক্রবার ভোরের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়, ফলে প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বন্দরনগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১২ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে পুরো জুলাই মাসজুড়েই কমবেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে শুক্রবারের আবহাওয়া বার্তায় জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।