বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে দেশের সংবিধানে আবারও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান ফিরে এলো।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত তিনটি আপিল খারিজ করে দেন আদালত।
রায় ঘোষণার পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, হাইকোর্টের রায় বহাল থাকায় সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদ বাতিল হয়েছে। পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়েছে।
এছাড়া মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের কাছেই থাকবে। তবে পঞ্চদশ সংশোধনীর অন্যান্য বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় সংসদ।
পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি আপিল করা হয়েছিল। আপিলকারীদের মধ্যে ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। টানা তিন দিনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়। পরে এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্ট সংশোধনীর কয়েকটি অংশকে অবৈধ ঘোষণা করেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই আপিল করা হয়েছিল।
সর্বশেষ এ রায়ের মাধ্যমে দেশের সাংবিধানিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।