বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইসি সানাউল্লাহসহ অন্যরা -ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলকভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অংশীজন সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।
ইসি জানায়, নির্বাচনব্যবস্থা আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করতে বিভিন্ন বিধি-বিধানের সংস্কার নিয়ে অংশীজনদের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ইতোমধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আনফ্রেল এবং কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের সুপারিশও কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে।
এসব সুপারিশ পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি) ও ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস)-এর যৌথ উদ্যোগে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। এতে স্থানীয় পর্যবেক্ষক, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দেওয়া সুপারিশগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সংলাপ থেকে পাওয়া মতামত ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সহায়ক হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে আরও উন্নত করতে কমিশন ধারাবাহিকভাবে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করছে। জাতীয় নির্বাচনের পর পাওয়া অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ মূল্যায়নের পাশাপাশি এই সংলাপের সুপারিশও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ ভবিষ্যতের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় কাজে লাগানো হবে।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে ১৯টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে আরও কার্যকর সুপারিশ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ইপিডির প্রতিনিধি মাইকেল লিডাউয়ে বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অভিজ্ঞতা একত্রিত করে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে এই সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংলাপের বিভিন্ন অধিবেশনে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।