বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহনের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
মঙ্গলবার সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
নতুন আইনে ‘ডিজিটাল কারসাজি’ নামে একটি নতুন অপরাধের সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডও দেওয়া যাবে।
এছাড়া অনলাইনসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপরাধেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল।
আইনে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ বা প্রবেশের চেষ্টা, পরীক্ষা পরিচালনার নির্দেশনা অমান্য এবং পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তার উদ্দেশ্যে চুক্তি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।
উত্তরপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়নের ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। কোনো পরীক্ষক এ ধরনের অনিয়মে জড়িত প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে।
এ ছাড়া কোনো শিশু এ আইনের আওতায় অপরাধ করলে তার ক্ষেত্রে শিশু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।