বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে যে সব কাজের প্রস্তাব করা হয়েছে সে বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
মঙ্গলবার( ৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মোঃ রায়হান সিরাজীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে পানি সম্পদ মন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা নদী উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ দেওয়াসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে; শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যায়। যার ফলে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে উজানে অতিবৃষ্টির কারণে হঠাৎ বন্যা ও নদীভাঙন সংঘঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, তিস্তা এলাকার ৫ টি জেলায় (রংপুর, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট) নদীভাঙ্গন রোধে বিগত ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২২২.২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৪২.১৭কি.মি. নদীতীর সংরক্ষণ কাজ ইতোমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে। তাছাড়াও, তিস্তা নদী কেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
এই সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে, ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ (নদী শাসন); ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং; ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের উপর রাস্তা নির্মাণ; ৬৭ টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত; এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজ প্রস্তাব করা হয়েছে।
উক্ত সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়সমূহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফসলের বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে, নদী তীরবর্তী এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন তথা রাস্তা, সেতু, বাঁধ নির্মাণ হবে; কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়ক হবে, নৌ-যোগাযোগ ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিকভাবে উত্তরাঞ্চলের টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত হবে মর্মে সমীক্ষা প্রতিবেদনের মতামতে উল্লেখ রয়েছে।