বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট পূরণে বড় পরিসরের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। সংস্থাটি নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। অনুমোদন মিললেই প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া যায়। যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি পদ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য ৬ হাজার পদ সংরক্ষিত থাকবে। ফলে নবম গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় প্রায় ৬৯ হাজার ৫৭৭টি পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।
এনটিআরসিএর সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক জানিয়েছেন, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তবে এ বিষয়ে এখনই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) আলিফ রুদাবা।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদের তথ্য অনলাইনে আহ্বান করা হয়। কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে গত ১৫ এপ্রিল ই-রিকুইজিশন গ্রহণ কার্যক্রম শেষ করা হয়। একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদের কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৯টি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ লাখ ৯৯ হাজার শিক্ষক এবং ২ লাখের বেশি কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।
এবার শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগে নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীদের সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ২০০ নম্বরের এমসিকিউভিত্তিক লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত ও মৌখিক—উভয় ধাপেই ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্নকারীদেরই চূড়ান্তভাবে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে এনটিআরসিএ।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পরিচালনা করছে এনটিআরসিএ। আর ২০১৫ সালের শেষ দিকে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্বও সংস্থাটির হাতে আসে। এরপর থেকে সাতটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।