বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ-ছবি: সংগৃহীত
গ্রামাঞ্চলে এখনো লোডশেডিং থাকলেও আগের তুলনায় এর মাত্রা কমেছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তার দাবি, গ্রামে যে লোডশেডিং হচ্ছে, তার বেশির ভাগই বিদ্যুতের উৎপাদন ঘাটতির কারণে নয়; বরং কারিগরি (টেকনিক্যাল) সমস্যার ফল। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। সংলাপের আয়োজন করে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নে অনেক এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত কিছু লাইনে অতিরিক্ত লোড পড়লে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অনেক গ্রামীণ এলাকায় সাময়িক লোডশেডিং দেখা দিচ্ছে।
তিনি বলেন, গ্রামে-গঞ্জে যে লোডশেডিং হচ্ছে, তার বেশির ভাগই টেকনিক্যাল কারণে। এটি বিদ্যুতের শর্টেজের কারণে নয়। আমরা সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি।
মন্ত্রী জানান, এ সমস্যা সমাধানে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামোর উন্নয়ন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হওয়ায় সমস্যা পুরোপুরি দূর হতে কিছুটা সময় লাগবে।
সংলাপে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠার অন্যতম কার্যকর উপায় হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো গেলে সরকার বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারবে। সেই অর্থ বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া দায় পরিশোধসহ খাতটির আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে কৃষিজমি রক্ষার বিষয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য কৃষিজমির পরিবর্তে পতিত ও অনাবাদি জমিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সংলাপে আরও বক্তব্য দেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।