বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে আগামী শনিবারের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে নরমাল ডেলিভারির জন্য লেবার রুম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে কেন্দ্র করে একটি অসাধু গোষ্ঠী অতিরিক্ত মুনাফার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোগীর প্রকৃত প্রয়োজনের চেয়ে বাণিজ্যিক স্বার্থই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই অনেক পরিবারকে নানা ধরনের জটিলতার ভয় দেখিয়ে সিজারিয়ান করাতে উৎসাহিত করা হয়। মা ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবে স্বজনরা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হন। এ কারণে চিকিৎসা পেশায় নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতকের পুষ্টি এবং নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে দক্ষ মিডওয়াইফের বিকল্প নেই। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এ সেবা পৌঁছে দিতে চলতি বছরে স্বাস্থ্যখাতে এক লাখ জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশ নারী এবং তাদের অনেকেই মিডওয়াইফ হিসেবে কাজ করবেন।
মন্ত্রী জানান, সব বেসরকারি ক্লিনিকে মিডওয়াইফ নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে গর্ভবতী নারীরা স্থানীয় পর্যায়েই প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নিরাপদ স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ পাবেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, একজন ধাত্রী নিবন্ধন পেতে ৪০টি স্বাভাবিক প্রসব সম্পন্ন করতে হয়। প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার ৮০০ জন দক্ষ ধাত্রী তৈরি হলেও পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাবে তাদের বড় একটি অংশ পেশা থেকে ছিটকে পড়ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষ ধাত্রীর সংখ্যা বাড়ানো এবং তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে নিরাপদ মাতৃসেবা আরও শক্তিশালী হবে।