বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -ছবি ::সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পল্লীর উন্নয়ন ছাড়া একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গ্রাম ও পল্লী অঞ্চলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (৬ জুলাই) ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের পল্লী অঞ্চলকে আরও আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা হবে। একটি সমৃদ্ধ পল্লীই উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, সরকার একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লীকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণেই দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উদযাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।
তারেক রহমান বলেন, দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করেন। কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটির শিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে পল্লী উন্নয়ন শুধু একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, কৃষি, স্থানীয় সরকার, গ্রামীণ অর্থনীতি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যেই সে সময় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর, সংস্থা এবং পল্লী উন্নয়নে নিয়োজিত অংশীজনকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দেশের সব পল্লীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।