বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে শিগগির যোগদান করানো হবে। তাদের দুইমাসের ট্রেনিংয়ের পর বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের আরও ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক ইন্টেরিম গর্ভমেন্ট (অন্তর্বর্তী সরকার) নিয়োগ দিয়ে গিয়েছিল। তাদের সব পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল, তাতে উত্তীর্ণ হয়ে তারা এসেছে। আমরা বাকি কাজগুলো শেষ করে কিছুদিনের মধ্যেই তাদের ট্রেনিংয়ে (প্রশিক্ষণ) পাঠাবো।
তিনি বলেন, ট্রেনিং শেষ করে তারা স্কুলে চলে যাবে। নিয়ম হলো- পিটিআই ট্রেনিংয়ে ৯ মাসের ট্রেনিং হয়, কিন্তু আমরা এখন সিস্টেম পাল্টিয়েছি; যেহেতু আমাদের ট্রেনিং সেন্টার অপ্রতুল রয়েছে। সেজন্য আমরা তাদের ইনিশিয়ালি দুইমাসের ট্রেনিং দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে দিচ্ছি।’
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনো যোগদান করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক। এ নিয়ে গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলনে নামেন তারা। এরপর তাদের প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।