বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

চীনা দূতাবাসে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন -ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ যখনই তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে, চীনও সেই গতিতেই সহযোগিতা এগিয়ে নেবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন প্রকল্প এবং এর বাস্তবায়নের গতি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশই।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে ভারতের সম্ভাব্য উদ্বেগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়াও ওয়েন বলেন, তিস্তা নদীসংক্রান্ত এই প্রকল্প বাংলাদেশের নিজস্ব পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকারের অংশ। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত এবং সময়সূচি নির্ধারণের দায়িত্বও বাংলাদেশের।
তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও লাভজনক সহযোগিতার ভিত্তিতেই বিবেচনা করা উচিত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি রাজনৈতিক নয়; বরং মানুষের জীবনমান উন্নয়নকেন্দ্রিক একটি উন্নয়ন উদ্যোগ। তিস্তা অববাহিকায় বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবন-জীবিকা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে এই প্রকল্পের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
মূলত এই উদ্দেশ্যেই চীন সহায়তা দিতে আগ্রহী; কারণ এটি বাংলাদেশের মানুষের, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষের একটি বড় প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আমাদের কেন একটি নিখুঁত ও কার্যকর সম্ভাব্যতা যাচাই প্রয়োজন? আপনারা জানেন, নদীর অববাহিকায় বেশ কিছু জটিল পরিস্থিতি রয়েছে। তাই এই প্রকল্প শুরু করার আগে আমাদের এই সম্ভাব্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। আমাদের দিক থেকে এটাই হলো মূল উদ্দেশ্য। আপনি অন্যান্য যেসব উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলো আমাদের বিবেচনায় নেই। বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুতই এগোবে। এটাই আমাদের অবস্থান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর সম্পূর্ণভাবেই সফল হয়েছে। এটি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক যা এক নতুন কৌশলগত উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থার এক নতুন স্তর তৈরি হয়েছে। এ সফরে দুদেশের কৌশলগত পর্যায়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে।
গত ২২ জুন থেকে ২৬ জুন চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।