বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ১৩ সাবেক সচিবের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে এ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে দুদকের উপ-পরিচালক আক্তারুল ইসলাম বলেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব পালনকালীন সিদ্ধান্ত, নথি, দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে মামলার তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে, এ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ১৪ জনের নামে মামলা করে দুদক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়।
দুদকের দায়ের করা মামলার নথিতে বলা হয়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য প্রায় ৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। সরকারি গেজেটেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, ওই জমি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের কাজে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই উদ্দেশ্য থেকে সরে এসে জমিটি সরকারি কর্মচারীদের আবাসন নির্মাণের জন্য ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত জমিতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ না করে সরকারি কর্মকর্তাদের ৯৯ বছরের লিজের ভিত্তিতে আবাসন সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সরকারি গেজেটের শর্ত লঙ্ঘিত হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ন্যায্য পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অনিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও দুদকের অভিযোগ।
এসব অভিযোগের অনুসন্ধান শেষে গত বছর ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা উপেক্ষা করে অধিগ্রহণ করা জমির উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেন। বর্তমানে সেই মামলার তদন্ত চলছে।
এদিকে, আজ রোববার দুদক কার্যালয়ে হাজির হন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক। মেট্রোরেল প্রকল্পে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।