বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম -ছবি : সংগৃহীত
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
এছাড়া নিজের কিংবা পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) পাঠিয়েছেন।
শুক্রবার রাতে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তার নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষ থেকে কেউ যেন ব্যক্তিগতভাবে কোনো মামলা, বিবৃতি কিংবা পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন কারণ এ ধরনের কোনো নির্দেশনা বা অনুমোদন তিনি দেননি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং আশা করেন, সব পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাবে। একই সঙ্গে গ্রেফতার সাংবাদিককে দ্রুত মুক্তির আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক ও বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ হওয়ায় বিষয়টি ঘিরে সাংবাদিক সমাজে কোনো বিভেদ বা উত্তেজনা সৃষ্টি না করে সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। প্রতিমন্ত্রী তার সম্পর্কে প্রচারিত তথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার অনুরোধ জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো ওই চিঠির অনুলিপি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছেও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর কিছু ব্যক্তি তার নামে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন, যা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা উচিত।
তিনি জানান, ১৯৯৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তার নির্বাচনী এলাকা শিবগঞ্জ-মোকামতলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়নে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর বাইরে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানে তার নাম যুক্ত না করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
চিঠির শেষে তিনি উল্লেখ করেন, উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের বাইরে তার বা পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন না করা হয়। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।