বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -ছবি : সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র একসঙ্গে চলার কোনো ইতিহাস নেই এবং ভবিষ্যতেও তা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়; এটি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল যা বিভিন্ন মত ও পথের মানুষকে ধারণ করে।
এসময় বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্র পুনরায় চালুর চেষ্টা করতে হবে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করছে। অন্যদিকে মালিকপক্ষের লোকেরা অনেক সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করছেন।
তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি ও সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার চলাচ্ছে। সবাই মিলে এসব অপপ্রচার রুখে দিতে হবে।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল জায়গায় দাঁড় করানোর জন্য সঠিক নীতিমালা প্রয়োজন। গণমাধ্যম সঠিক ভূমিকা পালন করলে রাষ্ট্র ও ক্ষমতা সবসময় জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে এবং এর সুফল দেশের মানুষ পাবে। এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম থাকা প্রয়োজন।
বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে প্রতিনিয়ত অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত তথ্য তৈরি হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তা মুহূর্তেই কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে রাজনৈতিক নেতাদের নামে ভুয়া তথ্য ও বিকৃত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। তাই শুধু অতীতের সংকট নিয়ে আলোচনা না করে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
গণমাধ্যমকে একটি সুসংহত কাঠামোর মধ্যে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাধীনতা দিলেও মালিকপক্ষ যদি সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, ন্যায্য বেতন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না করে তাহলে সংকট কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র কেবল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বসে থাকতে পারে না। সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এসময় ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।