বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ফটো
১৬ জুন বাংলাদেশের গণমাধ্যম ইতিহাসে দিনটি পরিচিত ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ হিসেবে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে তৎকালীন বাকশাল সরকারের সময় সংবাদপত্রের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের মাধ্যমে অধিকাংশ পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায় বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। সে সময় সীমিত কয়েকটি সংবাদপত্র সরকারি অনুমোদনে প্রকাশ অব্যাহত ছিল।
ফলে হাজারো সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী চাকরি হারান এবং দেশের গণমাধ্যম কার্যত সংকুচিত হয়ে পড়ে। সমালোচকদের মতে, ওই সিদ্ধান্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।
পরবর্তীতে ১৯৭৬ সাল থেকে সাংবাদিক সমাজ দিনটিকে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, স্মরণ অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
এ বছরও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় এ অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। রাজধানীর সার্কিট হাউস সড়কের তথ্য ভবনে অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীতে দেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ের দিক তুলে ধরা হয়।
প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং গণমাধ্যম ইতিহাসের নানা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অবহিত হন।
পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ জানান, সে সময়ের সংবাদপত্র বন্ধের ঘটনা ও পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে।
এ উপলক্ষে পিআইবি ‘যেদিন বাংলাদেশ দৃষ্টি খোয়ালো, কণ্ঠ হারালো’ শীর্ষক একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করেছে। এতে গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ, পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক আলোচনা করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৬ জুন একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত যা নিয়ে আজও ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যায়ন বিদ্যমান।