বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল -ছবি : সংগৃহীত
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই সহজ নয় এবং এটি শুধুমাত্র সরকারের উদ্যোগে সম্ভব নয়। রোগ নিয়ন্ত্রণে সমাজের সব স্তরের মানুষকে একযোগে সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন আয়োজিত ‘ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জমে থাকা পানি বাড়িঘর, ব্যবহৃত টায়ার, ড্রেন বা খালে ডেঙ্গু মশার লার্ভা জন্ম দেয়। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে সতর্কতা অপরিহার্য। হামের মতো রোগ তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও ডেঙ্গু মোকাবিলা অনেক জটিল। সবাই মিলে কাজ না করলে রোগ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যেই প্রায় আড়াই লাখ স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সাপ্তাহিক মধ্যে বড় অংশ সরবরাহ করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে, যাতে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। সেমিনার, কর্মশালা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
নিজের দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহিতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যত ভালো চেষ্টা করিও ব্যর্থ হলে দায় আমাকে নিতে হবে। তবে বসে থাকা মানুষ আমি নই; সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেই ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে চাই।
চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এজন্য চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ মজুদের কথাও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই লাখ স্যালাইন সংগ্রহ করেছি। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রয়োজনীয় স্যালাইনের বড় অংশ হাতে চলে আসবে।
সিনিয়র চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ডেঙ্গু সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে চিকিৎসকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। সেমিনার, কর্মশালা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
নিজের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি জানি, যত ভালো কাজই করি না কেন ব্যর্থ হলে তার দায় আমাকে নিতে হবে। তবে আমি চেষ্টা করে যেতে চাই। বসে থাকার মানুষ আমি নই। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেই ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে চাই।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ও অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ স্বাস্থ্যখাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।